Mon, 10 Dec, 2018
 
logo
 

পানি নিষ্কাশনের প্রধান খাল যখন ময়লার ভাগাড়

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অগ্রণী সেচ প্রকল্প ও নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী সেচ প্রকল্পের পানি নিষ্কাশনের প্রধান খালটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন শিল্প-কারখানার পাশাপাশি স্থানীয়রা ময়লা আবর্জনা ফেলে সেচ ক্যানেল ভরাট করে ফেলেছে। যার ফলে প্রকল্প দুটির নিম্নাঞ্চলের মানুষকে প্রায় সারা বছরই জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সেচ প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের আউখাবো, বলাইখা, ভাÐাবো, ভুলতা বাজার, শিংলাবো ও আমলাবো এলাকায় পাউবোর পানি নিষ্কাশন খালটি ভরাট হয়ে গেছে। স্থানীয় শিল্প-কারখানার বর্জ্য তো ফেলা হচ্ছেই, স্থানীয়রাও আবর্জনা ফেলছেন অবাধে। ময়লা জমে খালের বেশকিছু স্থান এখন ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ফলে খালের আশপাশের বসতবাড়িতে বসবাস করাই এখন দায় হয়ে পড়েছে। দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন রোগ বালাই।

স্থানীয় টাচ স্টোন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. সুমন মিয়া জানান, পাউবোর অগ্রণী সেচ প্রকল্প ও নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী সেচ প্রকল্পের পানি নিষ্কাশন খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা তলিয়ে যায়। বৃষ্টি হলেই বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অবিলম্বে সেচ খালটি পুনঃখনন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হাসান মিয়া জুয়েল জানান, সেচ প্রকল্পের খালগুলো একাধিকবার উদ্ধার করে খনন করা হয়েছিল। স্থানীয় শিল্প-কারখানার বর্জ্য ও এলাকাবাসী ময়লা আবর্জনা ফেলে খালটি প্রতি বছরই ভরাট করে ফেলে। যে কারণে বৃষ্টি মৌসুমে নিম্নাঞ্চলের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অচিরেই পানি নিষ্কাশন খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করা হবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি খাল দখল ও ভরাট করা বেআইনি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য সেচ প্রকল্পের খালে সরাসরি না ফেলার জন্য মালিকদের নোটিস দেয়া হয়েছে।’

কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সেচ প্রকল্পের প্রধান খালসহ সবগুলো ক্যানেল পুনঃখনন করা হবে। সেচ খালে যদি কেউ শিল্প-কারখানার বর্জ্য ও ময়লা ফেলে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম