Mon, 10 Dec, 2018
 
logo
 

নগরীতে বাড়ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ব্যাহত হচ্ছে জীবনযাত্রা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কোনো নিবন্ধন নেই; নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নিয়ন্ত্রণ বা তদারকিও। এ অবস্থায়ই পুরো সিটি করপোরেশন জুড়ে চলাচল করছে এখন অন্তত ২০ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়লেও কোন পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৭২.৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ২৪২ জন মানুষের বসবাস। এই ছোট সিটি করপোরেশনের সড়কের দৈর্ঘ্য ৪৭০.১৩ কিলোমিটার। যেখানে লাইন্সস কৃত রিকশা রয়েছে ১৯ হাজার ৫‘শ ২৬টি। যার অধীকাংশই নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে চলে, বাকি গুলো চলে সিদ্ধিরগঞ্জ ও কদম রসূল অঞ্চলে।

রিকশার চালক আবু হাসান জানান, তিন বছর আগে ৫০ হাজার টাকায় তিনি রিকশা তৈরি করেন। এখনো তিনি রিকশার লাইসেন্স করেননি।
এ বিষয়ে এক রিকশা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কথা হলে তারা বলেন, শহরে কী পরিমাণ রিকশা চলাচল করছে, তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান তাদের কাছে নেই। তবে এ সংখ্যা অন্তত ২০ হাজার হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে তুলনা মূলক কিছুটা কম থাকলেও কদম রসূল ও সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলের পুরো সড়ক জুড়েই এখন ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য। নিবন্ধনহীন এসব রিকশার কারণে কঠিন হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক চলাচল। স্থানীয়রা জানান, এগুলোর নিয়ন্ত্রণহীন চলাচলের কারণে মাঝে মধ্যেই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

নগরীর উকিলপাড়া মহল্লা বাসিন্দা ফজুলুর রহমান জানান, সমস্ত শহরে শুধু রিকশা আর রিকশা। এগুলোর দৌরাত্ম্যে শহরে এখন স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করা দায় হয়ে পড়েছে।

একই কথা জানান শহরের এক ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দোকানের সামনে সব সময়ই ১৫-২০টি রিকশা দাঁড়িয়ে থাকে। তাদের কিছু বলাও যায় না। তাছাড়া এসব রিকশা বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে, যে কারণে অনেক সময়ই দুর্ঘটনা ঘটে। রিকশা থেকে যাত্রীর ছিটকে পড়ার নজিরও কম নয়।

এবিষয়ে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এফ.এম. এহতেশামূল হকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম