Tue, 11 Dec, 2018
 
logo
 

চালক দাবি ‘৩ লাখ টাকায় রফাদফা’, নেতা বলছে ‘মিথ্যা’

স্টফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম থেকে টেম্পুতে উঠে রাবেয়া নামের এক নামের ২৭ বছর বয়সী এক নারী। চাষাঢায় নেমে ভাড়া দিতে গেলে বাধে বাকবিতন্ডা। তবে শেষ পর্যন্ত জয় হয় চালকেরই। চালকের দাবি ১০ টাকা হলেও রাবেয়া বারবার বলছিলেন ভাড়া ৬ টাকা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুধু গার্মেন্টস কর্মী রাবেয়া নয়, প্রতিটি স্টেডিয়ামের যাত্রী থেকেই ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া চাষাড়া থেকে শিবুমার্কেটের দৌরত্ব ৩ কিলোমিটারের। অথচ, সেখানের ভাড়াও নিয়েছে ১০ টাকা। যা মাস খানেক আগেও ছিলো ৫ থেকে ৬ টাকা।

চালক দাবি ‘৩ লাখ টাকায় রফাদফা’, নেতা বলছে ‘মিথ্যা’
সোহেল রানা নামরে এক যাত্রী জানান, টেম্পু থেকে শুরু করে সকল পরিবহণের শ্রমিকদের কাছে আমরা জিম্মি। তাদের মন যখন যা চায়, তখন তাই নেই। অনেক সময় যাত্রীদের ভাড়া বেশি বলে উঠিয়ে মনে করে এটাই ঠিক।
আব্দুর রহমান নামের স্টেডিয়ামের যাত্রী বলেন, ভাড়া বেশি নিচ্ছে এটা আর নতুন কি। এটাতো ওপেন সিক্রিট হয়ে গেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন গল্প বানায়, আর অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়।
জানা গেছে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ৮ কিলোমিটার সড়কে ১৫৫টি টেম্পু ছিলো। গত মাসে প্রশাসনের কঠোর নজর দারিতে পুরোপুরি ভাবেই বন্ধ ছিলো টেম্পু চলাচল। ফলে পুরন টেম্পু বেশ কিছু বিক্রি হয়ে গেছে। বর্তমানে ৫০টির মতো টেম্পু সড়কে চলছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক টেম্পু চালক জানান, আগে প্রতিদিন রোড খরচ দিতে হইতো ৮৫ টাকা করে। এখন সেই খরচ দিতে হচ্ছে ১৩৫ টাকা। এছাড়া মাসিক চাদা ৫‘শ টাকার স্থানে এখন ১ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছি।
অন্যদিকে আরো এক টেম্পু চালক জানান, টানা দেড় মাসেও বেশি সময় কঠোর ভূমিকায় ছিলো প্রশাসনের। তখন চাষাড়ায় যে সকল টেম্পু নগরীতে প্রবেশ করেছে, সেগুলোকেই রেকার লাগানো হতো। ফলে রেকার বিল বাবদ ২ হাজার ২‘শ টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে। এছাড়া চাষাড়ায় সরকারি লোক সব সময় দাঁড়িয়ে ছিলো। তবে এখন ৩ লাখের মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধন হয়েছে।
তবে চালকের দাবি অস্বীকার করে টেম্পু স্ট্যান্ডের নেতা নূর হোসেন লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, রাস্তায় সংস্কার কাজ চলায় অল্প কিছু দিনের জন্য বন্ধ ছিলো। যারা আপনাকে এ ধরণের তথ্য দিয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছে। আমরা দৈনিক কিংবা মাসিক কোন চাঁদাই বাড়াই নি। এছাড়া চাষাঢ়া থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত ৫ টাকা করেই নেওয়া হয়।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম