Wed, 23 May, 2018
 
logo
 

হকারদের দাবী “রণক্ষেত্রের উস্কানী আইভীর”

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাস্তায় হকার বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের জের ধরে  হকার উঠাতে গিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে হকাররা।


মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টায় দিকে নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ হকারদের ছত্রভঙ্গ করতে শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে। পাল্টা আক্রমণে হকাররা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকলে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগসহ অর্ধশতাধীক আহত হয়েছে।

তবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এবং অনেক হকার অভিযোগ করেন,  ”এই রণক্ষেত্রেরে জন্যে আইভীর উস্কানীই দায়ী। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ‘হকার মুক্ত ফুটপাথ চাই’ স্লোগান ধরে লোকজন নিয়ে চাষাড়ার দিকে হেঁটে আসছিলেন সেলিনা হায়াত আইভী। এসময় হকাদের উচ্ছেদ শুরু করলে হকাররা প্রতিবাদ জানায়। এসময় সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে শামীম ওসমানের অনুসারীরা থামাতে গেলে তাদের উপর হামলা হয়। পরে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।”
তারা আরো অভিযোগ করে, ‘বিএনপি নেতা খোরশেদ ও জোড়া খুন মামলার আসামী হাসানের সন্ত্রাসী লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।’

হকারদের দাবী “রণক্ষেত্রের উস্কানী আইভীর”
এদিকে, সংর্ঘষের সময় ধাক্কাধাক্কিতে সড়কে পড়ে যান সেলিনা হায়াত আইভী। তার পায়ে ইটের আঘাত লেগেছে। সেখান থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, সাংসদ শামীম ওসমানের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশের নীরব ভূমিকার ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের মাঝখানে থেকে উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। জানমালের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টা করেছি।
মেয়র আইভী অভিযোগ করেছেন শামীম ওসমানের প্রতি আপনারা সহানুভূতিশীল ছিলেন-এর জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল জানমালের নিরাপত্তা রক্ষা করা।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাস্তায় হকার বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের জের ধরে  হকার উঠাতে গিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে হকাররা।
মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টায় দিকে নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ হকারদের ছত্রভঙ্গ করতে শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে। পাল্টা আক্রমণে হকাররা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকলে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগসহ অর্ধশতাধীক আহত হয়েছে।

তবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এবং অনেক হকার অভিযোগ করেন,  ”এই রণক্ষেত্রেরে জন্যে আইভীর উস্কানীই দায়ী। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ‘হকার মুক্ত ফুটপাথ চাই’ স্লোগান ধরে লোকজন নিয়ে চাষাড়ার দিকে হেঁটে আসছিলেন সেলিনা হায়াত আইভী। এসময় হকাদের উচ্ছেদ শুরু করলে হকাররা প্রতিবাদ জানায়। এসময় সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে শামীম ওসমানের অনুসারীরা থামাতে গেলে তাদের উপর হামলা হয়। পরে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।”
তারা আরো অভিযোগ করে, ‘বিএনপি নেতা খোরশেদ ও জোড়া খুন মামলার আসামী হাসানের লোকজনের সন্ত্রাসী লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।’
এদিকে, সংর্ঘষের সময় ধাক্কাধাক্কিতে সড়কে পড়ে যান সেলিনা হায়াত আইভী। তার পায়ে ইটের আঘাত লেগেছে। সেখান থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, সাংসদ শামীম ওসমানের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশের নীরব ভূমিকার ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের মাঝখানে থেকে উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। জানমালের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টা করেছি।
মেয়র আইভী অভিযোগ করেছেন শামীম ওসমানের প্রতি আপনারা সহানুভূতিশীল ছিলেন-এর জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল জানমালের নিরাপত্তা রক্ষা করা।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম